Customs Act 1969 Bangladesh এর প্রথম অধ্যায় (First Chapter)

Last Updated: June 1, 2021By

যে কোন আইন নিজে থেকে পড়ে বোঝা বেশ কঠিন বিষয়। নিয়মিত আইন পড়ার অভ্যাস না থাকলে একটি আইনের ধারাগুলো পড়ে তার মর্ম বের করা বেশীরভাগ মানুষের জন্যই বেশ কষ্টকর। বর্তমান সময়ে VAT consultant exam, নিজে পণ্য আমদানী, প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত অবস্থায় কাজের খাতিরে দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন কারণে Customs Act 1969 Bangladesh এর অধিকতর জ্ঞান অর্জন অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশী জরুরি হয়ে পড়েছে। আমি কিছুটা সহজ ভাষায় আইনটির বিভিন্ন অধ্যায় ও ধারা ব্যখ্যা করার চেষ্টা করছি।

Customs Act 1969 এর প্রথম অধ্যায়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি আইনেরেই প্রথম অধ্যায়টি একই রকম। সাধারণত কেন আইনটি প্রণয়ন করা হলো, কবে থেকে কার্যকর হবে এবং আইনে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দের সংজ্ঞা সুনির্দিষ্টভাবে প্রথম অধ্যায়ে বলা থাকে। Customs Act 1969 ও তার ব্যতিক্রম নয়। এ আইনের প্রথম অধ্যায়ে ২ টি ধারা রয়েছে। ০১ নং ধারায় আইনটির নাম কী হবে এবং কখন থেকে কার্যকর হবে তা বলা আছে। এবং ০২ নং ধারায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা দেয়া আছে।

পণ্য বা Goods কাকে বলে Customs Act অনুসারেে

একটি বেশ interesting বিষয় হলো VAT Act অনুসারে কিন্তু জমি বা স্থাবর সম্পত্তি পণ্যের অন্তর্ভুক্ত কিন্তু কাস্টমস আইন এর অধীন শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তিকে পণ্য বলা হয়েছে।

কাস্টমস আইন এর ০২ ধারা মোতাবেক ০৫ টি পয়েন্ট দ্বারা পণ্য সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে:

  • যানবাহন
  • ভান্ডার সামগ্রী ও উপকরণ সামগ্রী
  • ব্যাগেজ
  • মুদ্রা এবং বিনিময়যোগ দলিলপত্র
  • ইলেকট্রনিক তথ্য

আচ্ছা এখন, উপরের ৫ টা আইটেম থেকে আমরা বুঝতে পারছি ১ম আইটেম হলো যে যানবাহন দ্বারা পরিববন করা হচ্ছে সেটিও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। ২ ও ৩ নং আইটেম অনেকটা self explanatory। ৪ নং আইটেমের টাকা এবং বিনিময়যোগ্য দলিলপত্র বলতে চেক বা এ ধরণের বিষয়কে বোঝানো হচ্ছে। আর আমরা বর্তমান যুগে বিভিন্ন ধরণের সফটওয়ার ও ডিজিটাল সেবা আমদানি করে যা ৫ নং পয়েন্টে পড়বে।

চোরাচালান বা Smuggling বলতে যেটা বুঝায় Bangladesh Customs Act মোতাবেক

Customs Act এ সাদামাটাভাবে ৪ টা পয়েন্ট দ্বারা চোরাচালান বা Smuggling কে চিহ্নিত করা হয়েছে:

  • মাদক
  • স্বর্ণ
  • ব্যক্তির দেহে বা ব্যাগেজে
  • ঘোষিত রুট ব্যতীত অন্য রুটে পণ্য আনলে

আসলে আমি বিষয়টিকে সহজভাবে মনে রাখার বা বোঝার স্বার্থে সাদামাটা ও অত্যন্ত সংক্ষেপে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। আইনের ধারা ২ এ দেখে আসতে পারেন সেখাবে সম্পূর্ণ বর্ণনা দেখতে পারবেন। যাহোক প্রথমে সংক্ষেপে মনে রাখতে পারলে পুরোটা মনে করা শুরু করতে পারবেন। নতুবা বেশীরভাগ মানুষই আইন পড়ে কিছুই বের করতে বা বুঝতে পারে না।

যাহোক, তাহলে ১ নং আইটেম তো বোঝাই যাচ্ছে নেশাজাতীয় দ্রব্য। ২ নং এ স্বর্ণ ও বিভিন্ন ধাতব জিনিসের কথা বলা আছে। ৩ নং আইটেম হলো জাহাজ/উড়োজাহাজের কর্মরত কেউ কিংবা কোন ব্যক্তি শুল্ক ফাকি দেয়ার উদ্দেশ্যে কোন কিছু লুকিয়ে নিয়ে আসলে তার জন্য।

সর্বশেষ ৪ নং আইটেমটি বুঝতে হলে একটু background জানা লাগবে। বাহিরের দেশ থেকে যে কোন যানবাহন আসতে হলে তাকে নির্দিষ্ট রুট ঘোষণা করতে হয়। সে কোন বন্দরে আসবে কোন রুট হয়ে আসবে, কোথায় মাল খালাস করবে ইত্যাদি। এই ঘোষিত রুটটি অমান্য করলে সেটাও চোরাচালান বলে গণ্য হবে।

মূলত নিষিদ্ধ কোন বস্তু আনা কিংবা শুল্ক কর ফাকি দেয়ার বিষয়টিকেই সংক্ষেপে চোরাচালন বা Smuggling বলা যায়।

বাংলাদেশের জলসীমা

আমরা প্রায় সকলেই জানি বাংলাদেশের জলসীমা উপকূলের তটরেখা হতে বারো নটিক্যাল মাইল দূরত্ব পর্যন্ত। এ সংজ্ঞাটি কাস্টমস আইনের ধারা ২ এ আছে।

ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি

  • জাহাজের ক্ষেত্রে জাহাজের মাস্টার (ক্যাপ্টেনকে বাংলায় মাস্টার বলে)
  • বিমানের ক্ষেত্রে পাইলট
  • ট্রেনের ক্ষেত্রে কন্ডাক্টর/গার্ড/মূখ্য পরিচাক হিসেবে নিযুক্ত ব্যক্তি
  • অন্য যানবাহনের ক্ষেত্রে ড্রাইভার বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি

Customs Act 1969 Bangladesh এর সম্পুর্ণ version টি দেখে নিতে পারেন সরকারি ওয়েবসাইট হতে: Customs Act 1969 http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-354.html

latest video

news via inbox

Nulla turp dis cursus. Integer liberos  euismod pretium faucibua